ঈশ্বর তাঁর লোকদের ঘরে ফিরিয়ে আনলেন
54
মহিলারা সুখী হও!
তোমাদের কোন সন্তান নেই
কিন্তু তোমাদের সুখী হওয়া উচিৎ‌|
প্রভু বলেন,
“যে মহিলা একা আছে
সে বিবাহিত মহিলার চেয়েও বেশী সন্তান পাবে|”
তোমাদের তাঁবু বড় কর|
দরজা বড় করে খুলে রাখো|
নিজেদের ঘর বড় করবার কাজ বন্ধ রেখো না|
তোমাদের তাঁবু শক্ত কর|
কেন? কারণ তোমাদের দ্রুত বৃদ্ধি হবে|
তোমাদের শিশুরা অন্যান্য জাতিদের থেকেও মানুষ পাবে|
তোমাদের শিশুরা ধ্বংসপ্রাপ্ত শহরেও বসবাস করবে|
ভীত হয়ো না!
তোমরা হতাশ হবে না|
তোমার বিরুদ্ধে লোকে বাজে কথা বলবে না|
তোমরা কখনও বিব্রত হবে না|
যখন ছোট ছিলে তোমরা লজ্জা পেতে|
কিন্তু এখন তোমরা সেই লজ্জা ভুলে যাবে|
স্বামী হারিয়ে তোমরা যে লজ্জা পেয়েছিলে
সেই লজ্জার কথা তোমরা আর স্মরণ করবে না|
কেন? কারণ তোমার স্বামী সেই একজন (ঈশ্বর) যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন|
তাঁর নাম সর্বশক্তিমান প্রভু|
তিনি ইস্রায়েলের পরিত্রাতা, তিনি ইস্রায়েলের পবিত্রতম|
তাকেই গোটা পৃথিবীর ঈশ্বর বলে ডাকা হবে|
তোমরা ছিলে স্বামী পরিত্যক্তা মহিলার মত!
তোমরা মনে প্রাণে খুব দুঃখী থাকলেও
প্রভু তোমাদের তাঁর মানুষ হবার ডাক দেন|
তোমরা ছিলে স্বামী পরিত্যক্তা যুবতী স্ত্রীদের মতো|
কিন্তু ঈশ্বর তোমাদের ডাক দিয়েছেন|
ঈশ্বর বলেন, “আমি তোমাদের অল্প সময়র জন্য ত্যাগ করেছিলাম|
আমি তোমাদের নিজের আসনে আবার একত্রিত করব|
আমি তোমাদের মহৎ‌‌ উদারতা দেখাবো|
আমি রুদ্ধ হয়েছিলাম, তাই অল্প কালের জন্য আমি তোমাদের কাছ থেকে আমাকে লুকিয়ে রেখেছিলাম|
তবে এখন সদয় হয়ে চির কালের জন্য তোমাদের আরাম দেব|”
তোমাদের পরিত্রাতা প্রভু এই সব বলেছেন|
ঈশ্বর বলেন, “নোহর সময়ের কথা স্মরণ কর, আমি পৃথিবীকে বন্যা দিয়ে শাস্তি দিই|
কিন্তু আমি নোহকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম পুনরায় বন্যা দিয়ে পৃথিবীকে ধ্বংস করব না|
ঠিক সে রকম তোমাদের কথা দিচ্ছি, তোমাদের ওপর আর রুদ্ধ হব না এবং তোমাদের আর কখনও বাজে কথা বলব না|”
10 প্রভু বলেন, “পর্বত অদৃশ্য হতে পারে|
পাহাড় চূর্ণ হতে পারে|
কিন্তু আমার দয়া তোমাদের থেকে দূরে যাবে না|
তোমাদের শান্তি দেবো
এবং এই শান্তি কখনও শেষ হবে না|”
প্রভু তোমাদের ক্ষমা প্রদর্শন করে এই কথাগুলি বলেছিলেন|
11 “তুমি গরীব শহর!
শত্রুরা ঝড়ের মত তোমার ওপর আছড়ে পড়েছিল|
কোন ব্যক্তি তোমাদের আরাম দেয় নি|
তোমাদের দেওয়ালে পাথর গাঁথবার জন্য
আমি একটি সুন্দর মূল্যবান অলঙ্কার মিশ্রিত হামান ব্যবহার করব|
এবং শিলান্যাসের সময় ব্যবহার করব নীলকান্তমণি পাথর|
12 প্রাচীরের মাথায় যে পাথর থাকবে তা বানানো হবে পান্না দিয়ে|
ফটকে ব্যবহার করব উজ্জ্বল রত্ন|
তোমার চারি দিকের প্রাচীরে ব্যবহার করব মূল্যবান রত্ন|
13 তোমার শিশুরা ঈশ্বরকে অনুসরণ করবে এবং তিনি তাদের শিক্ষা দেবেন|
শিশুদের জন্য থাকবে প্রকৃত শান্তি|
14 তোমাদের ধার্মিকতা দিয়ে গড়া ও প্রতিষ্ঠা করা হবে|
হিংসা ও বিদ্বেষ থেকে তুমি থাকবে নিরুপদ্রব|
ভয়ের কিছু থাকবে না|
কিছুই তোমাকে আঘাত করতে আসবে না|
15 আমার কোন সেনাদল তোমাকে আক্রমণ করবে না|
যদিও বা করে তবে তুমি তাদের পরাস্ত করবে|
16 “দেখো, আমি কামারকে সৃষ্টি করেছি| সে আগুনে ফুঁ দিয়ে তাকে উৎতপ্ত করে| তারপর সে আগুন ব্যবহার করে গরম লোহার সাহায্যে নিজের ইচ্ছেমত যন্ত্র বানায়| ঠিক সে ভাবেই আমি সৃষ্টি করেছি ‘ধ্বংসকারকদের’ জিনিস ধ্বংস করার জন্য|
17 “মানুষ তোমাকে ধ্বংস করার জন্য অস্ত্র বানাবে| কিন্তু সেই অস্ত্রগুলি তোমাকে পরাস্ত করতে পারবে না| কেউ কেউ তোমার বিরুদ্ধে কথা বলবে| তবে যে যে লোক তোমার বিরুদ্ধে কথা বলছে তাদের ভুল বলে প্রমাণ করা হবে|”
প্রভু বলেন, “প্রভুর দাসরা কি পায়? আমার কাছ থেকে আসা ভালো জিনিস তারা পায়!”